ঈদুল ফিতরের নামাযের নিয়ম

শাওয়াল চাঁদের প্রথম তারিখে ঈদুল ফিতরের নামায পড়তে হয়। বিশেষ কারণ বশতঃ ওই দিন পড়তে না পারলে পরের দিনও পড়া যায়। সূর্যোদয়ের কিছুক্ষণ পর হতে দুপুরের পূর্ব পর্যন্ত এ নামায পড়া যায়। ঈদুল ফিতরের দিন সকালে কিছু মিষ্টি জাতীয় খাদ্য আহার করবেন। তারপর ফিতরা আদায় করবেন। তারপর মিসত্তয়াক, গোসল ও ওযু করে ভাল কাপড় পরিধান করে খুশবু লাগিয়ে নিম্নস্বরে তাকবীর বলতে বলতে নামায পড়তে যাবেন।

(তাকবীর)

 الله اكبر الله أكبر لا إله إلا الله والله اكبر الله أكبر ولله الحمد

উচ্চারণঃ আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

নামাযের নিয়্যত

نويت أن أصلى لله تعالى ركعتى صلوة عيد الفطر مع ست تكبيرات واجب الله تعالى إقتديت بهذا الإمام متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله أكبر 

উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা রাক’আতাই সালাতে ঈ-দিল ফিতরে মা‘আ সিত্তে তাকবী-রাতিন। ওয়াজিবিল্লহি তা’আলা, ইকতাদাইতু বিহা-যাল ইমামে, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারী-ফাতি আল্লা-হু আকবর।

ঈদুল ফিতরের নামায পড়ার নিয়ম

এ নামায ছয় তাকবীরের সাথে ইমামের পেছনে পড়তে হয়। নিয়্যত করে আল্লাহ আকবর বলে হাত বাঁধার পর সানা পড়বেন। তারপর ইমাম উচ্চস্বরে তিনবার ‘আল্লাহু আকবর’ বলে তাকবীর বলবেন। প্রথম দু’ তাকবীর বলার সাথে সাথে ইমাম ও মোক্বতাদী সকলেই হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দেবেন এবং তৃতীয় তকবীরেও হাত কান পর্যন্ত উঠানোর পর নামাযের নিয়্যতের মত হাত বেঁধে নেবেন। ইমাম উচ্চস্বরে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা বা আয়াত পড়বেন। তারপর তাকবীর বলে রুকু’তে গিয়ে প্রথম রাক’আতের নামায শেষ করবেন। তারপর দাঁড়িয়ে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য একটি সূরা বা আয়াত পড়ার পর ইমাম উচ্চস্বরে তিনবার তাকবীর বলবেন এবার তাকবীর বলার সময় হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দেবেন এবং চতুর্থ তাকবীর বলার সাথে সাথে রুকুতে যাবেন। অতঃপর যথানিয়মে বাকী নামায সমাপ্ত করবেন। অতঃপর ইমাম দুটি খুতবা পাঠ করে সকলকে নিয়ে মীলাদ শরীফ পড়ার পর মুনাজাত করবেন।

Related Articles

Back to top button