প্রবন্ধ

আল্লামা ফারুকী হত্যার বিচার হোক মুজিব বর্ষের উপহার

আল্লামা ফারুকী হত্যার বিচার হোক মুজিব বর্ষের উপহার

সাইফুল ইসলাম চৌধুরী

বাঙালি জাতির জন্য ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও ডিসেম্বর এ তিনটি মাস অত্যন্ত গৌরবের। প্রাপ্তি ও অর্জনের। অপরদিকে আমাদের জন্য কলঙ্কিত মাস আগস্ট। আসলে মাসের তো কোনো দোষ নেই। এটিকে কলঙ্কিত করেছে এদেশেরই কিছু কুলাঙ্গার, বিশ্বাসঘাতক, জঙ্গি-সন্ত্রাস। গৌরব যারা বয়ে এনেছেন তারা আমাদের গর্ব ও অহংকার। আর ওরা হচ্ছে ঘৃণ্য ও পরিত্যাজ্য। আগস্ট নিঃসন্দেহে বেদনাবিধুর মাস। যে মানুষটি (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) কোটিপ্রাণে স্বাধীনতার স্বাদ দিয়েছেন; বাঁচার স্বপ্ন দেখিয়েছেন; সেই মহান ব্যক্তিটিকে হত্যা করে কলঙ্কিত অধ্যায় রচনা করেছে বিশ্বাসঘাতকরা। তাই ১৫ই আগস্ট বাঙালী জাতীয় জীবনে শোকাবহ দিন। অন্যদিকে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ক্ষত এখনো শুকায়নি আওয়ামিলীগের শরীর থেকে। আইভি রহমানের বাঁচার আকুতি এখনো কানে শোনা যায়।

এ আগস্ট সুফিবাদী মুসলমানদের জন্যও বেদনা ও ক্ষোভের মাস। কারণ ২০১৪ সালের ২৭শে আগস্ট রাতে একদল সশস্ত্র জঙ্গির নৃশংস হামলায় নিহত হন যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী, হাইকোর্ট জামে মসজিদের খতিব, টিভি উপস্থাপক আল্লামা নূরুল ইসলাম ফারুকী। জাতির পিতা হত্যার বিচার সম্পন্ন হওয়ায় জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলা কূলকিনারা পেলেও, ২৭শে আগস্ট ফারুকী হত্যাকাণ্ডের মামলা অজ্ঞাত কারণে চাপা পড়ে আছে কোন বড়কর্তার ফাইলের স্তুপে। পক্ষান্তরে প্রশাসন আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। বর্তমানে আলোকিত সমাজ গড়ার প্রধান অন্তরায় ধরা হচ্ছে মাদককে। এ অভিশাপ থেকে প্রজন্মকে মুক্ত করতে ক্যাসিনো বানিজ্য বন্ধসহ চলমান মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক মাদক সম্রাটদের অভয়ারণ্যে ধ্বংস করতে পিছুপা হচ্ছেন না প্রশাসন। দিনের রাজারা যেমন গ্রেপ্তার হচ্ছে, ঠিক একইভাবে শ্রীঘরে যেতে হচ্ছে রাতের পরীদেরও। চলছে জঙ্গি বিরোধী সফল অভিযান। অন্যদিকে একের পর এক দুর্নীতিবাজের মুখোশ উন্মোচন; প্রশাসনের প্রতি জনগণের হারানো আস্তা ফিরে আসতে শুরু করেছে। নিকট অতীতে প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি ফেইসবুক স্টাটাস আওয়ামিলীগ সরকারের বিচারিক কার্যক্রমের একটি স্বচ্ছ ধারণা দেয়।

গত ২০১৫ সালের ৮ নভেম্বর দৈনিক জনকন্ঠ প্রধানমন্ত্রীর আইটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সেই ফেইসবুক স্টাটাস ছাপায়। সেই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছিলেন, “আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার শুধু সম্প্রতি কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ড ছাড়া ব্লগার, শিশু ও বিদেশিসহ প্রতিটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অপরাধীদের গ্রেপ্তার করেছে। যারা বলছিলো সরকার অপরাধীদের ধরছে না এবং কিছুই করছে না তারা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে এসেছেন।” জয় বলেছেন, “ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যায় ছয়জন, অভিজিৎ রায় হত্যায় সাতজন, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ওয়াশিকুর রহমান বাবু হত্যায় তিনজন, ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশ হত্যায় চারজন, নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নীলয় হত্যায় চারজন, চেজারে তাভেল্লা হত্যায় পাঁচজন, কুনিও হোসি হত্যাকাণ্ডে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া সিলেটে শিশু রাজন হত্যায় ১১ জন, খুলনায় শিশু রাকিব হত্যায় তিনজন, পিডিবির সাবেক চেয়ারম্যান খিজির খান হত্যায় দুজন এবং ঈশ্বরদীতে ফাদার লুক সরকারকে হত্যাচেষ্টায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।” এমন সব তথ্য যখন আমাদের সামনে আসে বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে নতুন দিগন্ত জয়ের স্বপ্ন দেখি।

যে দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দুর্নীতির দায়ে গ্রেপ্তার করতে প্রশাসনের একটুও বেগ পেতে হয়নি সে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার এর চেয়ে বড় উদাহরণ আর কী হতে পারে! (সরকারের ভাষ্যমতে)। এ কথা বুঝতে আর বাকি নেই যে, প্রশাসন জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমন, মাদক ও ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান, দুর্নীতি দমনের মত কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সফল হয়েছে; সরকারের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা ছিল বলে। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা যখন রোলমডেল; সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক মহল থেকে বাংলাদেশ যখন প্রশংসা খুঁড়াচ্ছে; জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ যখন বিশ্ব সভায় সংবর্ধিত হচ্ছে; ঠিক সেই মুহূর্তে ২০১৪ সালের ২৭শে আগস্ট দেশদ্রোহী, স্বাধীনতার শত্রু জঙ্গি-সন্ত্রাসের হাতে নির্মমভাবে শহীদ হওয়া জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আল্লামা শায়েখ নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যাকাণ্ডের বিচারে নয়-ছয় কেন জানতে পারি? যেখানে ফারুকী হত্যাকাণ্ড দেশে জঙ্গিদের মদদদাতা কারা তা দিবালোকের মত পরিষ্কার করে দিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার না করে দেশে জঙ্গি খুঁজে লাভ কী? প্রকৃতপক্ষে আল্লামা ফারুকী হত্যাকাণ্ড দেশের বিরুদ্ধে একটি বড় চক্রান্ত।

ইসলামের অবিকৃত দর্শন সুফিবাদের প্রচারক ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী। মানবতার ধর্ম ইসলাম, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানে বিশ্বাসী ইসলামের সফল গবেষক ও আলোচক ছিলেন তিনি। তিনি ছিলেন হাইকোর্ট মসজিদের খতিব। ফারুকী মিডিয়া ও মঞ্চ প্রোগ্রামে সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক বক্তব্য তো দিতেনই না বরং মদিনার সনদের ভিত্তিতে সংখ্যালঘুদের অধিকার বর্ণনা ছিল তাঁর আলোচনার অন্যতম বিষয়বস্তু। তিনি দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে প্রাণের ভয় না করে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজস্বাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর গবেষনালব্ধ কাজগুলো তাঁকে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে পৌঁছে দিয়েছে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে। জেদ্দা বিমানবন্দর মসজিদের ইমামতিসহ বিশ্বের প্রায় মুসলিম দেশে সফর করে তিনি শুধু মাজহাব মিল্লাত প্রচার করেননি, বিশ্ব মাজারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করেছেন।

তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম বিশ্লেষণ করলে তাঁকে একজন নিরেট দেশপ্রেমিক হিসেবে পাওয়া যাবে। ফারুকী একটি আন্দোলনের নাম। মাথায় টুপি আর গায়ে পাঞ্জাবি পরে যখন একশ্রেণির ধর্মব্যবসায়ী ধর্মের ভুল ব্যখ্যা দিয়ে প্রজন্মকে জঙ্গিবাদের দিকে ঠেলে দিচ্ছিল তখন আল্লামা ফারুকী মিডিয়ায় বসে শান্তির ধর্ম ইসলামের সঠিক মর্মার্থ বুঝিয়ে মানুষকে সুপথ দেখাচ্ছিলেন।

তাঁর সম্পূর্ণ জীবন ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে। যারা দেশ জাতি ও মানবতার শত্রু, আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী ছিলেন তাদের জন্য শানিত তলোয়ার। তাহলে এ কথা দিনের আলোর মত স্পষ্ট যে আল্লামা ফারুকীর হত্যাকারীরা শুধু ফারুকীর শত্রু নয়, তারা দেশ, জাতি ও মানবতার চরম শত্রু। তা সত্ত্বেও কোন অজ্ঞাত কারণে দেশের এ সূর্য সন্তানের হত্যাকারীরা হত্যাকাণ্ডের সাত বছর পরেও অধরাই? ১৪ সালের ২৭ আগস্টের বেদনাবিধুর সেই কালো রাতে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘন্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলেও সাত বছরেও ফারুকী হত্যা মামলার কার্যত কোন অগ্রগতি হয়নি। ছাত্রসেনার সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইমরান হুসাইন তুষার বাদী হয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন কয়েকজন মিডিয়া উপস্থাপকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। প্রশাসন একজনকেও গ্রেপ্তার তো করেইনি কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও ডেকে পাঠাননি। পক্ষান্তরে আল্লামা ফারুকী হত্যাকাণ্ডের পর সরকারের সদিচ্ছা, আন্তরিকতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিচক্ষণতায় দেশে বড় বড় অপারেশনে সফল হয়েছে প্রশাসন।

দেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যদি জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনের মত কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারে। দেশের সাবেক ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করতে পারে, প্রধানমন্ত্রীর কটুক্তিকারীকে মুহূর্তের মধ্যে ধরতে সক্ষম হয়, তাহলে আল্লামা ফারুকী হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন? ফারুকী হত্যাকারীরা কী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অথবা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে ক্ষমতাধর? শিশু রাজন হত্যার বিচার যদি বছরান্তে তার পরিবার পেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী পুত্রের দাবি অনুযায়ী ব্লগারদের হত্যাকারী, বিদেশীদের হত্যাকারী, শিশু হত্যাকারীদের প্রশাসন গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলে। যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী, দেশের সম্পদ আল্লামা ফারুকীর হত্যাকারীদের ধরতে অক্ষমতা কোথায়? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আপনি জানেন স্বজন হারানোর ব্যাথা কতটা তীব্র। আপনি দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে এ যন্ত্রণা বুকে নিয়ে বেড়াচ্ছেন। আপনার পিতা-মাতাসহ আপনজন হত্যার বিচার করে আপনি যোগ্য সন্তানের দৃষ্টান্ত রেখেছেন।

১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় আপনার অশ্রুসিক্ত নয়ন আমাদেরকে সমব্যথী করে। আপনার যেমন বঙ্গবন্ধুর কথা মুখে অনতেই চোখ ভিজে যায়। শহীদে মিল্লাতকে নিয়ে এ প্রবন্ধ যখন লিখছি আমারও বার বার চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে। না শুধু আমার নয়, ফারুকীর পরিবার ও কোটি ফারুকীভক্তের প্রতিবাদী কন্ঠে একটিই শ্লোগান; আল্লামা ফারুকী শহীদ কেন, প্রশাসনের জবাব চাই, ফারুকী হত্যার বিচার চাই। সরকার আন্তরিক হয়ে অসাধ্য সাধন করছে। ফারুকী হত্যার বিচারেও আন্তরিকতা চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! কোটি ফারুকী ভক্তের স্বজনহারা আহাজারি আপনি একটু মমতার কানে শুনবেন কি? মুজিব বর্ষে আপনি অনেকের স্বপ্ন পূরণ করেছেন। বাস্তুহীনদের আধাপাকা ঘর দিয়ে মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মাথা গোঁজানোর ঠাঁই দিয়েছেন। পদ্মাসেতু নির্মাণের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশার সূর্যোদয় করেছেন। আইসিটিসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বালানোর প্রতিশ্রুতি সকলের অন্তরে আশার সঞ্চার করেছে ঠিক; কিন্তু সুন্নি মুসলমান ও আলেম সমাজের আশাহত হৃদয়ে প্রত্যাশার সূর্যোদয় ঘটাবে কে? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আপনি মুজিব বর্ষে যেমন ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। অন্যদিকে মানুষের স্বপ্ন পূরণেও সহায়ক হয়েছেন।

চলমান বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় আপনার সময়োচিত পদক্ষেপ জাতিকে আলোর পথ দেখাচ্ছে। বিশ্বসভায় আপনার প্রশংসা আমাদের শির উন্নত করে। আমরা জানি, আপনি মানবতার ধর্ম ইসলামের অনুসারী, সুফিবাদে বিশ্বাসী। নিঃসন্দেহে আপনি আল্লামা ফারুকীর ‘কাফেলা’ ও ‘শান্তির পথ’ অনুষ্ঠানের নিয়মিত দর্শক। আপনার স্বপ্ন ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। এ বিচার কার্য সুসম্পন্ন করতে আল্লামা ফারুকী দোষীদের বিরুদ্ধে স্বাক্ষী হয়ে আপনার স্বপ্ন পূরণের সারথি হয়েছিল। এ মুজিব বর্ষে আপনি আলেম সমাজের স্বপ্ন পূরণের সারথি হবেন এটাই আমাদের বিশ্বাস। আলেম সমাজের নয়নমণি শ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলামের রিপ্রেজেনটেটিভ আল্লামা ফারুকী হত্যাকাণ্ডের বিচার দেখা আমাদের স্বপ্ন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! এ মুজিব বর্ষে আপনি কতো প্রাণে প্রশান্তির নহর জারি করেছেন।

সুফিবাদী মুসলমানদের প্রাণস্পন্দন আল্লামা ফারুকীকে হারিয়ে আলামে সমাজের অন্তরে প্রতিবাদের যে দাবানল জ্বলছে; হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত হলে কিছুটা উত্তাপ কমবে। ফারুকী হত্যাকাণ্ডের বিচার আলেম সমাজের মাঝে উত্তপ্ত মরুভূমিতে শান্তির বারিধারা হবে। অতএব, মুজিব বর্ষে আলেম সমাজের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার হোক শহীদ আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যার বিচার।

লেখক: প্রাবন্ধিক ও সংগঠক
প্রতিষ্ঠাতা: আলো একাডেমি, চট্টগ্রাম।